আমাদের কার্যক্রম

  • হোম
  • আমাদের কার্যক্রম
➲ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা

➲ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা


উন্নত জাতি গড়ার জন্য উন্নত শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই। 'নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন' দ্বীন ও দুনিয়ার সমন্বয়ে উন্নত শিক্ষাকার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হাতে নিয়েছে 'আল জামি'আহ আস সালফিয়্যাহ' নামে প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রকল্প। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরবের সাথে মুয়াদালা (নিবন্ধিত) একটি প্রতিষ্ঠান। নিম্নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ পেশ করা হলো: 




প্রতিষ্ঠানসমূহ



আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালক শাখা)


আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালক শাখা)

ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী

 এটি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে রাজশাহী শহরের অনতিদূরে শাহমখদুম বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩২ বিঘা জমির উপরে প্রতিষ্ঠিত। এখানে একটি ৪ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ছাত্রাবাস, একটি ৪ তলাবিশিষ্ট আধুনিক অ্যাকাডেমিক ভবন এবং ৪ তলাবিশিষ্ট ২৫ হাজার স্কয়ারফিটের 'বায়তুল হামদ' জামে মসজিদ নির্মিত হয়েছে। অন্য দিকে পৃথকভাবে একটি ৩ তলাবিশিষ্ট ছাত্রীনিবাস ভবন নির্মিত হয়েছে।


আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালক শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালক শাখা)

বীরহাটাব, হাটাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

২৪ আগস্ট ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পূর্বাচল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান আয়তন প্রায় ৫১ বিঘা। প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্রীদের জন্য একটি ৫ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ছাত্রীনিবাস, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্টাফদের জন্য রয়েছে একটি ৬ তলাবিশিষ্ট কোয়ার্টার ভবন। বর্তমানে ১০ হাজার মুছল্লীর ধারণক্ষমতাসম্পন্ন 'বায়তুল হামদ' জামে মসজিদের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এখানে অচিরেই ১০০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করত একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, আইটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে ইনশা-আল্লাহ।


আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালিকা শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালিকা শাখা)

ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী।

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে কুল্লিয়্যা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৯০০ জন। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া (আমচত্বর) ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বদিকে শাহমখদুম থানার পবা পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।


আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহ

ছয়মাইল, বরিশাল।

যুগোপযোগী মানসম্মত ইসলামী শিক্ষার আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবে ২০২১ সালে গোরাচাঁদ দাস রোড, ওয়ার্ড-১৬, বরিশালে প্রতিষ্ঠিত হয় একটি ইংলিশ ভার্সন প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে শহরের মধ্যে ভবন ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চলমান রয়েছে। অচিরেই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভবন নির্মিত হবে ইনশা-আল্লাহ।



আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ

তেঘরা, বিরল, দিনাজপুর।

২০২২ সালে দিনাজপুর শহরের অনতিদূরে প্রায় ২৫ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত 'আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়‍্যাহ'-এর ৪র্থ শাখা। যেখানে ইতোমধ্যেই ছাত্র আবাসিকের জন্য ৩ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অচিরেই এখানে একটি 'বায়তুল হামদ' জামে মসজিদ নির্মিত হবে ইনশা-আল্লাহ







গাজা, ফিলিস্তিন ত্রাণ বিতরণ

গাজা, ফিলিস্তিন ত্রাণ বিতরণ

ফিলিস্তিনের গাজার মানুষ আজ মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। যুদ্ধ ও অবরোধের ফলে হাজারো নিরীহ মানুষ চরম সংকটের মধ্যে রয়েছে—খাদ্য, চিকিৎসা, আশ্রয় ও ন্যূনতম জীবনের প্রয়োজনীয়তা থেকে তারা বঞ্চিত।

🤲 এখনই সাহায্যের হাত বাড়ান! আপনার দান হতে পারে কারও জন্য জীবন বাঁচানোর উপায়। গাজা, ফিলিস্তিন ত্রাণ বিতরণ তহবিল

(Gaza Emergency Relief Fund) সরাসরি গাজার অসহায় মানুষদের খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয় সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

➲ দাওয়াতী কার্যক্রম

➲ দাওয়াতী কার্যক্রম

নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো সকলের মাঝে সঠিক দ্বীন শিক্ষা পৌছে দেওয়া। এরই অংশ হিসেবে আদ-দাওয়াহ ইলল্লাহ এর তত্ত্বাবধানে সারাদেশে মসজিদগুলোতে জুমআর খুৎবা প্রদান, দাওয়াতি সফর, মসজিদে মক্তব চালু ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০২৩ সালে উত্তবঙ্গের কয়েকটি জেলায় “দ্বীনি শিক্ষার প্রথম পাঠশালা হোক মসজিদ ভিত্তিক মক্তব” শ্লোগানে অসংখ্য মক্তব চালু করা হয়। উক্ত মক্তবের ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

➲ বণ্যার্তদের মাঝ ত্রাণ বিতরণ

➲ বণ্যার্তদের মাঝ ত্রাণ বিতরণ

প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রায় ৩০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়। এসময় বিশেষভাবে দেশের উত্তরাঞ্চল এবং সিলেট বিভাগের বানভাসি মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হন। মানবসেবার অংশ হিসেবে “নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন” এর অর্থায়নে আদ-দাওয়াহ ইলল্লাহ-এর তত্ত্বাবধানে বন্যাদূর্গত এলাকায় প্রতিবছর ত্রাণ বিতরণ করা হয়।


ত্রাণ সামগ্রীর নগদ অর্থ, চাল, ডাল, তেল, আলু, চিড়া ইত্যাদি প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করা হয়। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ২ কোটি টাকার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে এবং ঈদুল আযহায় গরু জবাই করে বন্যার্তদের মধ্যে গোশত বিতরণ করা হয়।

➲ ঈয়াতিম প্রকল্প

➲ ঈয়াতিম প্রকল্প

“নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন” কর্তৃক পরিচালিত আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়‍্যাহ-এর রাজশাহী ও নারায়ণগঞ্জ উভয় শাখায় পাঁচ শতাধিক ইয়াতীম, অসহায় ও দুস্থ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিপালিত হয়ে আসছে। ইয়াতীম ছাত্রের থাকা-খাওয়া, চিকিৎসা সেবা, টিউশন ফি, পোশাক-পরিচ্ছদ, শিক্ষা সরঞ্জামসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সম্পূর্ণ ফ্রি। যার ব্যয়ভার প্রতিষ্ঠান বহন করে থাকে।

➲  ফ্রি চিকিৎসা সেবা

➲ ফ্রি চিকিৎসা সেবা

“নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন” পরিচালিত আদ-দাওয়াহ ইলল্লাহ এর তত্ত্বাবধানে অসহায় ও গরীব মানুষদের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা সেবা যেমন: ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ফ্রি রক্তদান, ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস, আর্থিক সহায়তা ছাড়াও বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়। 

➲ মক্তব চালু ও ইমামদের প্রশিক্ষণ

➲ মক্তব চালু ও ইমামদের প্রশিক্ষণ

নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন মনে করে, শুধু মাদরাসা শিক্ষার মাধ্যমে সমগ্র দেশের তৃণমূল পর্যায়ে সঠিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। শতভাগ মুসলিমের নিকট সঠিক শিক্ষা পৌঁছে দিতে চাইলে দাওয়াতী কাজের বিকল্প নাই। তাই দেশব্যাপী দাওয়াতী কাজ পরিচালনার জন্য 'আদ-দাওয়া ইলাল্লাহ' প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেখানে শিক্ষিত দাঈগণের মাধ্যমে দেশব্যাপী দাওয়াতী কাজ পরিচালনা করা হয়ে থাকে। বর্তমানে আদ-দাওয়া ইলাল্লাহ-এর দুটি কার্যক্রম দেশব্যাপী ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। • মসজিদভিত্তিক মক্তব পরিচালনা:
দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায়ে কুরআনের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্রতিষ্ঠান মসজিদভিত্তিক মক্তব। 'আদ-দাওয়াহ ইলাল্লহ' ইতোমধ্যেই দেশব্যাপী ৩০০টিরও বেশি মসজিদে মক্তব চালু করা হয়েছে। "আদ-দাওয়াহ ইলাল্লহ" ও "উছমান ইবনে আফফান রা: কুরআন গবেষণা কেন্দ্র"র যৌথ চেষ্টায় মক্তবের জন্য একটি যথোপযুক্ত সিলেবাস প্রণয়ন এবং মক্তব ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের জন্য একটা সামগ্রিক এপ ডেভেলপ সম্পন্ন হয়েছে ফালিল্লাহিল হামদ! এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০টি মসজিদের শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। যাদের প্রশিক্ষণের যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া সকল খরচ 'আদ-দাওয়াহ ইলাল্লাহ' বহন করে থাকে।



➲ কুরবানী প্রজেক্ট

➲ কুরবানী প্রজেক্ট

২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত হয় উত্তরাঞ্চল ও সিলেট বিভাগের মানুষ। বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি অসহায় ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে ঈদ-উল-আযহার জন্য নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অধীনে  কুরবানীর গরু ও ছাগল বিতরণ করা হয়।


➲ মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প

➲ মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প


দেশের বিভিন্ন জেলায় 'বায়তুল হামদ জামে মসজিদ' নামে মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প চালু রয়েছে। রাজশাহীতে ২৫ হাজার স্কয়ারফিট আয়তনে ৪ তলাবিশিষ্ট উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গাইবান্ধায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০০ শতাংশ জমির উপরে দেশের অন্যতম বৃহৎ মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে, যেখানে একসাথে প্রতি তলায় ১০ হাজার মুছল্লী ছালাত আদায় করতে পারবে। নির্মাণাধীন মসজিদটির পাইলিং কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, বাকী কাজও চলমান আছে। ফালিল্লাহিল হামদ।


বায়তুল হামদ জামে মসজিদ

রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

পূর্বাচল আধুনিক শহরের অনতিদূরে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা থেকে দুই কিলোমিটার পূর্বে দুইশ শতক তথা প্রায় ছয় বিঘা জমির উপর দেশের অন্যতম বৃহত্তম বায়তুল হামদ জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ! উক্ত মসজিদে প্রায় ৮০ ফিট প্রি-কাস্ট পদ্ধতিতে পাইলিং চলমান আছে। শুধুমাত্র পাইলিংয়েই খরচ আসবে তিন কোটি টাকা আর পুরো প্রজেক্টে খরচ হবে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা।


বায়তুল হামদ জামে মসজিদ

বায়তুল হামদ জামে মসজিদ

ডাঙ্গীপাড়া, পবা রাজশাহী

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদটি বর্তমানে ৩য় তলা পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৪র্থ  তলার নির্মাণকাজ চলমান আছে। মসজিদটির প্রতি তলায় একসাথে ৩০০০ মুসল্লি ছালাত আদায় করতে পারে। আল জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গীপাড়া, পবা রাজশাহী বালক শাখায় মসজিদটি অবস্থিত।

 

➲ মিডিয়া, গবেষণা ও প্রকাশনা

➲ মিডিয়া, গবেষণা ও প্রকাশনা


দেশব্যাপী দাওয়াতী কাজ সম্প্রসারণের জন্যে প্রিন্ট মিডিয়া হিসেবে ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে অদ্যাবধি 'আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহ-এর মুখপত্র 'মাসিক আল-ইতিছাম' পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি মাজাল্লাতুস সালাফ (আরবী ভাষায়) নামে আরেকটি পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশে ১ম আরবী পত্রিকা হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। আল-হামদুলিল্লাহ!

এছাড়া ২০২০ এর এপ্রিলে আল-ইতিছাম গবেষণা বিভাগ নামে একটা গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় যেখানে একঝাঁক তরুণ ও প্রবীণের সমন্বয়ে গড়া মুফতী ও গবেষক টিম গবেষণা ও প্রকাশনার কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে। গবেষণাকার্য প্রকাশের জন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুস সালাফ প্রতিষ্ঠিত হয়। যেখান থেকে যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানীর সিলসিলা ছহীহা, আল্লামা নওয়াব সিদ্দিক হাসান খান ভূপালীর আর-রওজাতুন নাদিয়্যাহ, বিশিষ্ট তাজবীদ বিশারদ ড. আয়মান রুশদি সুওওয়াইদ-সহ বিভিন্ন বিজ্ঞ উলামায়ে কেরামের লেখনী অনুবাদ ও সম্পাদনার মাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে আল-হামদুলিল্লাহ। এখন পর্যন্ত ১৫টি গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে; আরও কিছু গ্রন্থ প্রকাশিতব্য।

পাশাপাশি প্রকাশনা কাজ দ্রুত, সহজতর, মানসম্মত করার জন্য নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে 'আল-ইতিছাম প্রিন্টিং প্রেস' স্থাপিত হয়েছে।


প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি আল-ইতিছাম টিভি নামে সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক ও ইউটিউব)-এর মাধ্যমে দ্বীনের প্রচার-প্রসার, আর্থসামাজিক জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম ইত্যাদি পরিচালিত হয়।

➲ কুরআন ও দ্বীন শিক্ষা কোর্স

➲ কুরআন ও দ্বীন শিক্ষা কোর্স

জেনারেল শিক্ষিত তরুণ ও যুবক ছাত্রসমাজের জন্য কুরআন ও দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ উক্ত কোর্সটি। ২০ দিনব্যাপী উক্ত কোর্সে পরিপূর্ণ আবাসিক মাদরাসা ছাত্রের মতো জীবনযাপনের মাধ্যমে দ্বীন পালনের এক বাস্তব প্রশিক্ষণ তারা পেয়ে থাকে। পাশাপাশি আদ-দাওয়া ইলাল্লাহ-এর দাঈ ও আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহ-এর দেশি-বিদেশি মাশায়েখের নিকট থেকে তারা বিশুদ্ধ কুরআন ও সঠিক দ্বীনের শিক্ষালাভ করে থাকে। নির্দিষ্ট সিলেবাসের অধীনে তাদেরকে পাঠদান করা হয়।


➲ আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

➲ আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বিশুদ্ধ দ্বীন ইসলামের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠাকল্পে এবং আর্থসামাজিক ও দেশের উন্নয়নে 'নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন' নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। নিম্নে কিছু পরিকল্পনা পেশ করা হলো:

নিবরাস নলেজ সিটি

পূর্বাচল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অদূরে বীরহাটাবো, হাটাবো, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-এ ইতোমধ্যে ৬০ বিঘা জমি ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে; আরও ৪০ বিঘা অধিগ্রহণের কাজ চলমান। এখানে যা যা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে:

১. একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকরণ, যা বাংলাদেশে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

২. একটি আন্তর্জাতিক মানের মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।

৩. একটি আন্তর্জাতিক মানের আইটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।

৪. একটি উন্নতমানের ইংলিশ মিডিয়াম ইসলামিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করা।


নিবরাস মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়:

রাজশাহী শহরের আমচত্বর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে নিরিবিলি পল্লি এলাকায় পরিপূর্ণ পর্দা ও নিরাপত্তার সাথে খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশে মেয়েদের জন্য একটি উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ৬০ বিঘা জমি একত্রিত করা হয়েছে। অচিরেই উক্ত প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য দেশের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে ইনশা-আল্লাহ।

এছাড়া চলমান প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সমৃদ্ধ লাইব্রেরির জন্য পৃথক ভবন ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের জন্য পৃথক ভবন নির্মাণ করা।