মূল বিষয়বস্তুতে যান
আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ — প্রতিষ্ঠানের ব্যানার
আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ — লোগো
নিবরাস ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠান

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ একটি মানসম্মত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার লক্ষ্য পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে বিশুদ্ধ আক্বীদা, উত্তম চরিত্র ও ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলা। শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফের উদ্যোগে ২৪ আগস্ট ২০১৩ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ রাজশাহীর পবায় এবং ধাপে ধাপে দিনাজপুর ও বরিশালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বালক ও বালিকা শাখার মাধ্যমে জ্ঞান, আমল ও চরিত্রে আদর্শ মানুষ তৈরির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আমাদের পরিচিতি

শিক্ষা মানব সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। ভালো চাকরি প্রাপ্তি, দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা, উন্নত দেশ গঠন, সভ্য জাতি বিনির্মাণ সবকিছুর মূলমন্ত্র হচ্ছে শিক্ষা। বর্তমানে দেশে আগের তুলনায় শিক্ষিতের হার অনেক বেড়েছে। এখন সবাই শিক্ষার গুরুত্ব বুঝেন। পিতা-মাতা নিজের অর্জিত অধিকাংশ সম্পদ সন্তানের লেখাপড়ায় ব্যয় করেন।

এস.এস.সি, এইচ.এস.সি পরীক্ষায় সন্তানের জি.পি.এ-৫ অর্জনের জন্য নির্দ্বিধায় টাকা ব্যয় করে যান। তাদেরকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তি করাতে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেন। আইন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, বি.বি.এ, এম.বি.এ ইত্যাদি বিষয়ে উচ্চ ডিগ্রি অর্জনের জন্য তাদের বিদেশে পাঠান। কিন্তু এত কিছুর ফলাফল কী?

এদেশে প্রয়োজন এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বের শিরক-বিদ‘আত মুক্ত ইসলামকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করবে। যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা হবে সত্য ও ন্যায়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র। পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আদর্শে উজ্জীবিত দুর্জয় কারী। সালাফে-ছালেহীনের আদর্শের ধারক-বাহক এবং ইসলামের বিশুদ্ধ আক্বীদা রক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী। একবিংশ শতাব্দীতে ইসলাম বিরোধী যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। মিথ্যা ও ভ্রান্তি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে মুক্তিকামী মানুষের আস্থার প্রতীক।

প্রগতি ও অবাধ স্বাধীনতার বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত জনতাকে তারা মুক্তির মোহনায় পৌঁছিয়ে দেবে এবং পাপ-পঙ্কিলতা আর অন্যায়ে নিমজ্জিত জনগোষ্ঠীকে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় দেবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে লেখক, গবেষক, বাগ্মী বের হবে এবং কুরআন ও ছহীহ হাদীছের পতাকা নিয়ে দেশে-বিদেশে ছুটে বেড়াবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি ঘরে ঘরে সত্যিকার ইসলামের দা‘ওয়াত পৌঁছানোর বিরামহীন প্রচেষ্টা চালাবে। তাই শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ এরকমই প্রতিষ্ঠানের স্বপ্ন নিয়ে ২০১৩ সালের ২৪ আগস্ট হাটাব, বীরহাটাব-বিরাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রয়ারি ডাঙ্গীপাড়া, পবা, শাহমখদুম, রাজশাহীতে, ২০২৩ সালে তেঘড়া, বিরল, দিনাজপুরে এবং বরিশালে মানসম্মত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে ‘আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ’ নামে বালক ও বালিকা শাখা সম্বলিত পৃথক পৃথক দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।

শেয়ার করুন ১১ শেয়ার

প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকুন

অনলাইনে অনুদান দিন

সর্বনিম্ন ১০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা।

পরবর্তী ধাপে তথ্য নিশ্চিত করে SSLCommerz-এর মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।

আপনার কাছাকাছি আমাদের প্রতিষ্ঠান

আমাদের শাখাসমূহ

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (নারায়ণগঞ্জ)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (নারায়ণগঞ্জ)

হাটাব, রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে ছানোবিয়্যাহ পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ১২০০ জন। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার বিরাব পোস্ট অফিসের অন্তর্গত স্থানীয় বেলদী বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার পশ্চিমে বীরহাটাব-হাটাব গ্রামদ্বয়ের মধ্যস্থলে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (নারায়ণগঞ্জ)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (নারায়ণগঞ্জ)
হাটাব, রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে ছানোবিয়্যাহ পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ১২০০ জন। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার বিরাব পোস্ট অফিসের অন্তর্গত স্থানীয় বেলদী বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার পশ্চিমে বীরহাটাব-হাটাব গ্রামদ্বয়ের মধ্যস্থলে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

বৈশিষ্ট্য: 1. দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নত সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত নিজস্ব সিলেবাসের আলোকে পাঠদান। 2. দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ, পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত। 3. কুরআন ও হাদীছের উপর গভীর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আরবী ও ইংরেজি ভাষার পূর্ণ দক্ষতা অর্জনের সুযোগ। 4. বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত ও ১০ পারা হিফযের ব্যবস্থা। 5. উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন। 6. অমনোযোগী ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধান। 7. বোর্ড পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট শ্রেণিগুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ। 8. সুপ্ত মেধা বিকাশের জন্য ‘কো-কারিকুলার’ (সহ-পাঠক্রমিক) কার্যক্রম পরিচালনা। • আরবী, বাংলা ও ইংরেজিতে কথোপকথন ও বক্তৃতাদানের দক্ষতা অর্জনের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ তথা সাপ্তাহিক ইসলাহুল বায়ানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষাবর্ষের শেষে পুরো প্রতিষ্ঠানব্যাপী উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানাবিধ বিষয়ের উপর ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করা। • লেখার হাত মজবুতকরণের লক্ষ্যে ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) স্তর থেকেই শিশুতোষ পত্রিকা ‘কিশলয়’ ও দেয়ালিকা ‘আল-মানার’ এ লেখালেখির সুযোগ। সেইসাথে শ্রেণিভিত্তিক দেয়ালিকা প্রকাশে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। • যুগের চাহিদা অনুসারে আলেমিয়্যাত (উচ্চ মাধ্যমিক) স্তর থেকে সীমিত পরিসরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা। অদূর ভবিষ্যতে সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। 9. আবাসিক হল সর্বদা শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে সুনিয়ন্ত্রিত। 10. ছাত্রদের যাবতীয় নথি-পত্র, তথ্য-উপাত্ত, ফলাফল, অ্যাকাডেমিক ও চারিত্রিক সকল তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে সংরক্ষণ। 11. প্রত্যেক ছাত্রের জন্য প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ইউনিক আইডি নম্বর ও আইডি কার্ড প্রদান। 12. ছাত্রের দৈনন্দিন ও মাসিক যাতায়াতের তথ্য সংরক্ষণ রাখার জন্য সফটওয়্যারে মাধ্যমে আইডি নম্বর দিয়ে গেটপাশ এন্ট্রি করার সুব্যবস্থা। 13. দৈনিক তিনবেলা ‘আদর্শ খাবার’ তথা নিরামিষের পাশাপাশি আমিষ জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা। 14. স্বাস্থ্যসম্মত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে শরীরচর্চার জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠ। 15. মাটির গভীর হতে নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলিত আর্সেনিকমুক্ত পানির সুব্যবস্থা। 16. সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। 17. আরবী, বাংলা, ইংরেজি ও বিভিন্ন ভাষার বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। 18. প্রতি বছর একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এবং তার সাথে সমন্বয় করে পাঠপরিকল্পনা প্রণয়ন। 19. স্বাস্থ্যসম্মত, সুন্দর ও উন্নতমানের আবাসিক হলের সুব্যবস্থা। 20. প্রচলিত রাজনীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ। 21. নিয়মিত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বার্ষিক ক্রীড়া ও গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা। 22. প্রাথমিক চিকিৎসার সুব্যবস্থা। সিলেবাস: ভাইস প্রেসিডেন্সি অফ অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, জামেয়া সালাফিয়া, বানারস, ভারতসহ উপমহাদেশের বিখ্যাত ক্বওমী প্রতিষ্ঠানসমূহ ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত স্বতন্ত্র বৈশিষ্টমণ্ডিত পৃথক পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) প্রণয়ন করা হয়েছে। ভর্তি নির্দেশিকা: 1. কুরআন পাঠে অক্ষম সাধারণ শিক্ষার্থীর চতুর্থ শ্রেণির ‘কুরআন শিক্ষা শাখা’য় ভর্তি হওয়া আবশ্যক। 2. ভর্তি পরীক্ষা লিখিত ও মৌখিক হবে। 3. মৌখিক পরীক্ষার সময় অভিভাবককে শিক্ষার্থীর সাথে উপস্থিত থাকতে হবে। 4. ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। 5. যে শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তার পূর্বের শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। 6. আরবী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। 7. হিফযের ক্ষেত্রে: কুরআন মাজীদ ও তাজবীদ হতে জিজ্ঞাসা করা হবে। 8. ভর্তির উপযুক্ততা: আবাসিকে অবস্থানেচ্ছু শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ৯ বছর হতে হবে। [যারা খাওয়া-দাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানা, বিছানাপত্র গোছানোসহ নিজের কাজ নিজে করতে পারে এমন ছেলে-মেয়ে ভর্তি হতে পারবে।] তবে অনাবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রের ভর্তির বয়স শিথিলযোগ্য।  ভর্তি আবেদন: ভর্তির আবেদন করার জন্য আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহর নিজস্ব ওয়েবসাইট www.jamiahsalafiyah.com -তে গিয়ে অনলাইনে নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।  অনলাইনে আবেদনের সকল নিয়ম উপরোক্ত ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। শিক্ষাস্তর: ১. প্রি-রওযা (শিশু শ্রেণি) - ১ বছর ২. ইবতেদায়ী (১ম - ৫ম) [১ম ও ২য় শ্রেণি রওযা/নূরানী পদ্ধতিতে) - ৫ বছর ৩. মুতাওয়াসসিতা - (৬ষ্ঠ - ৮ম) - ৩ বছর ৪. ছানাবিয়্যা (৯ম - ১০ম) - ২ বছর ৫. আলেমিয়্যাত (একাদশ - দ্বাদশ) - ২ বছর ৬. ফাযীলাত/দাওরা (স্নাতক) - ৩ বছর পরীক্ষা: ১. অর্ধ-বার্ষিক ২. বার্ষিক ছুটির নীতিমালা: 1. অসুস্থতার কারণে ছুটির প্রয়োজন হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকের সুপারিশসহ সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টার মধ্যে স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে কাছে জমা দিতে হবে। 2. বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি নিতে হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশসহ স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে জমা দিতে হবে। 3. দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এক কপি রিসিপশনে জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে পারবে। ছুটি শেষে ক্লাসে বসার জন্য স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে অনুমতিপত্র নিতে হবে। 4. রওযা, হিফয ও শিশু হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের ছুটি নেওয়ার জন্য অভিভাবক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। 5. বিনা দরখাস্তে ছুটি কাটালে প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে। 6. প্রতিষ্ঠান চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিনা ছুটিতে একটানা দুই সপ্তাহ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল হবে। 7. বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান ছুটি থাকলে, প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখে যদি কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে এবং উপযুক্ত কারণ দেখাতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রথম দিনের জন্য ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী দিনগুলোর জন্য প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালক শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালক শাখা)

ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে দাওরাহ পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ২০০০ জন। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া (আমচত্বর) ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বদিকে শাহমখদুম থানার পবা পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালক শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালক শাখা)
ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে দাওরাহ পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ২০০০ জন। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া (আমচত্বর) ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বদিকে শাহমখদুম থানার পবা পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

বৈশিষ্ট্য: 1. দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নত সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত নিজস্ব সিলেবাসের আলোকে পাঠদান। 2. দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ, পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত। 3. কুরআন ও হাদীছের উপর গভীর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আরবী ও ইংরেজি ভাষার পূর্ণ দক্ষতা অর্জনের সুযোগ। 4. বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত ও ১০ পারা হিফযের ব্যবস্থা। 5. উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন। 6. অমনোযোগী ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধান। 7. বোর্ড পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট শ্রেণিগুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ। 8. সুপ্ত মেধা বিকাশের জন্য ‘কো-কারিকুলার’ (সহ-পাঠক্রমিক) কার্যক্রম পরিচালনা। • আরবী, বাংলা ও ইংরেজিতে কথোপকথন ও বক্তৃতাদানের দক্ষতা অর্জনের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ তথা সাপ্তাহিক ইসলাহুল বায়ানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষাবর্ষের শেষে পুরো প্রতিষ্ঠানব্যাপী উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানাবিধ বিষয়ের উপর ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করা। • লেখার হাত মজবুতকরণের লক্ষ্যে ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) স্তর থেকেই শিশুতোষ পত্রিকা ‘কিশলয়’ ও দেয়ালিকা ‘আল-মানার’ এ লেখালেখির সুযোগ। সেইসাথে শ্রেণিভিত্তিক দেয়ালিকা প্রকাশে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। • যুগের চাহিদা অনুসারে আলেমিয়্যাত (উচ্চ মাধ্যমিক) স্তর থেকে সীমিত পরিসরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা। অদূর ভবিষ্যতে সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। 9. আবাসিক হল সর্বদা শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে সুনিয়ন্ত্রিত। 10. ছাত্রদের যাবতীয় নথি-পত্র, তথ্য-উপাত্ত, ফলাফল, অ্যাকাডেমিক ও চারিত্রিক সকল তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে সংরক্ষণ। 11. প্রত্যেক ছাত্রের জন্য প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ইউনিক আইডি নম্বর ও আইডি কার্ড প্রদান। 12. ছাত্রের দৈনন্দিন ও মাসিক যাতায়াতের তথ্য সংরক্ষণ রাখার জন্য সফটওয়্যারে মাধ্যমে আইডি নম্বর দিয়ে গেটপাশ এন্ট্রি করার সুব্যবস্থা। 13. দৈনিক তিনবেলা ‘আদর্শ খাবার’ তথা নিরামিষের পাশাপাশি আমিষ জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা। 14. স্বাস্থ্যসম্মত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে শরীরচর্চার জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠ। 15. মাটির গভীর হতে নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলিত আর্সেনিকমুক্ত পানির সুব্যবস্থা। 16. সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। 17. আরবী, বাংলা, ইংরেজি ও বিভিন্ন ভাষার বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। 18. প্রতি বছর একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এবং তার সাথে সমন্বয় করে পাঠপরিকল্পনা প্রণয়ন। 19. স্বাস্থ্যসম্মত, সুন্দর ও উন্নতমানের আবাসিক হলের সুব্যবস্থা। 20. প্রচলিত রাজনীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ। 21. নিয়মিত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বার্ষিক ক্রীড়া ও গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা। 22. প্রাথমিক চিকিৎসার সুব্যবস্থা। সিলেবাস: ভাইস প্রেসিডেন্সি অফ অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, জামেয়া সালাফিয়া, বানারস, ভারতসহ উপমহাদেশের বিখ্যাত ক্বওমী প্রতিষ্ঠানসমূহ ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত স্বতন্ত্র বৈশিষ্টমণ্ডিত পৃথক পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) প্রণয়ন করা হয়েছে। ভর্তি নির্দেশিকা: 1. কুরআন পাঠে অক্ষম সাধারণ শিক্ষার্থীর চতুর্থ শ্রেণির ‘কুরআন শিক্ষা শাখা’য় ভর্তি হওয়া আবশ্যক। 2. ভর্তি পরীক্ষা লিখিত ও মৌখিক হবে। 3. মৌখিক পরীক্ষার সময় অভিভাবককে শিক্ষার্থীর সাথে উপস্থিত থাকতে হবে। 4. ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। 5. যে শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তার পূর্বের শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। 6. আরবী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। 7. হিফযের ক্ষেত্রে: কুরআন মাজীদ ও তাজবীদ হতে জিজ্ঞাসা করা হবে। 8. ভর্তির উপযুক্ততা: আবাসিকে অবস্থানেচ্ছু শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ৯ বছর হতে হবে। [যারা খাওয়া-দাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানা, বিছানাপত্র গোছানোসহ নিজের কাজ নিজে করতে পারে এমন ছেলে-মেয়ে ভর্তি হতে পারবে।] তবে অনাবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রের ভর্তির বয়স শিথিলযোগ্য।  ভর্তি আবেদন: ভর্তির আবেদন করার জন্য আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহর নিজস্ব ওয়েবসাইট www.jamiahsalafiyah.com -তে গিয়ে অনলাইনে নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।  অনলাইনে আবেদনের সকল নিয়ম উপরোক্ত ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। শিক্ষাস্তর: ১. প্রি-রওযা (শিশু শ্রেণি) - ১ বছর ২. ইবতেদায়ী (১ম - ৫ম) [১ম ও ২য় শ্রেণি রওযা/নূরানী পদ্ধতিতে) - ৫ বছর ৩. মুতাওয়াসসিতা - (৬ষ্ঠ - ৮ম) - ৩ বছর ৪. ছানাবিয়্যা (৯ম - ১০ম) - ২ বছর ৫. আলেমিয়্যাত (একাদশ - দ্বাদশ) - ২ বছর ৬. ফাযীলাত/দাওরা (স্নাতক) - ৩ বছর পরীক্ষা: ১. অর্ধ-বার্ষিক ২. বার্ষিক ছুটির নীতিমালা: 1. অসুস্থতার কারণে ছুটির প্রয়োজন হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকের সুপারিশসহ সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টার মধ্যে স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে কাছে জমা দিতে হবে। 2. বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি নিতে হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশসহ স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে জমা দিতে হবে। 3. দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এক কপি রিসিপশনে জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে পারবে। ছুটি শেষে ক্লাসে বসার জন্য স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে অনুমতিপত্র নিতে হবে। 4. রওযা, হিফয ও শিশু হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের ছুটি নেওয়ার জন্য অভিভাবক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। 5. বিনা দরখাস্তে ছুটি কাটালে প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে। 6. প্রতিষ্ঠান চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিনা ছুটিতে একটানা দুই সপ্তাহ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল হবে। 7. বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান ছুটি থাকলে, প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখে যদি কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে এবং উপযুক্ত কারণ দেখাতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রথম দিনের জন্য ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী দিনগুলোর জন্য প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালিকা শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালিকা শাখা)

ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে কুল্লিয়্যা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৯০০ জন। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া (আমচত্বর) ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বদিকে শাহমখদুম থানার পবা পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালিকা শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (রাজশাহী বালিকা শাখা)
ডাঙ্গীপাড়া, পবা, রাজশাহী

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে কুল্লিয়্যা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৯০০ জন। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া (আমচত্বর) ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বদিকে শাহমখদুম থানার পবা পোস্ট অফিসের অন্তর্গত ডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত

বৈশিষ্ট্য: 1. দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নত সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত নিজস্ব সিলেবাসের আলোকে পাঠদান। 2. দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ, পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত। 3. কুরআন ও হাদীছের উপর গভীর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আরবী ও ইংরেজি ভাষার পূর্ণ দক্ষতা অর্জনের সুযোগ। 4. বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত ও ১০ পারা হিফযের ব্যবস্থা। 5. উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন। 6. অমনোযোগী ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধান। 7. বোর্ড পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট শ্রেণিগুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ। 8. সুপ্ত মেধা বিকাশের জন্য ‘কো-কারিকুলার’ (সহ-পাঠক্রমিক) কার্যক্রম পরিচালনা। • আরবী, বাংলা ও ইংরেজিতে কথোপকথন ও বক্তৃতাদানের দক্ষতা অর্জনের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ তথা সাপ্তাহিক ইসলাহুল বায়ানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষাবর্ষের শেষে পুরো প্রতিষ্ঠানব্যাপী উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানাবিধ বিষয়ের উপর ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করা। • লেখার হাত মজবুতকরণের লক্ষ্যে ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) স্তর থেকেই শিশুতোষ পত্রিকা ‘কিশলয়’ ও দেয়ালিকা ‘আল-মানার’ এ লেখালেখির সুযোগ। সেইসাথে শ্রেণিভিত্তিক দেয়ালিকা প্রকাশে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। • যুগের চাহিদা অনুসারে আলেমিয়্যাত (উচ্চ মাধ্যমিক) স্তর থেকে সীমিত পরিসরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা। অদূর ভবিষ্যতে সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। 9. আবাসিক হল সর্বদা শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে সুনিয়ন্ত্রিত। 10. ছাত্রদের যাবতীয় নথি-পত্র, তথ্য-উপাত্ত, ফলাফল, অ্যাকাডেমিক ও চারিত্রিক সকল তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে সংরক্ষণ। 11. প্রত্যেক ছাত্রের জন্য প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ইউনিক আইডি নম্বর ও আইডি কার্ড প্রদান। 12. ছাত্রের দৈনন্দিন ও মাসিক যাতায়াতের তথ্য সংরক্ষণ রাখার জন্য সফটওয়্যারে মাধ্যমে আইডি নম্বর দিয়ে গেটপাশ এন্ট্রি করার সুব্যবস্থা। 13. দৈনিক তিনবেলা ‘আদর্শ খাবার’ তথা নিরামিষের পাশাপাশি আমিষ জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা। 14. স্বাস্থ্যসম্মত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে শরীরচর্চার জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠ। 15. মাটির গভীর হতে নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলিত আর্সেনিকমুক্ত পানির সুব্যবস্থা। 16. সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। 17. আরবী, বাংলা, ইংরেজি ও বিভিন্ন ভাষার বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। 18. প্রতি বছর একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এবং তার সাথে সমন্বয় করে পাঠপরিকল্পনা প্রণয়ন। 19. স্বাস্থ্যসম্মত, সুন্দর ও উন্নতমানের আবাসিক হলের সুব্যবস্থা। 20. প্রচলিত রাজনীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ। 21. নিয়মিত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বার্ষিক ক্রীড়া ও গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা। 22. প্রাথমিক চিকিৎসার সুব্যবস্থা। সিলেবাস: ভাইস প্রেসিডেন্সি অফ অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, জামেয়া সালাফিয়া, বানারস, ভারতসহ উপমহাদেশের বিখ্যাত ক্বওমী প্রতিষ্ঠানসমূহ ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত স্বতন্ত্র বৈশিষ্টমণ্ডিত পৃথক পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) প্রণয়ন করা হয়েছে। ভর্তি নির্দেশিকা: 1. কুরআন পাঠে অক্ষম সাধারণ শিক্ষার্থীর চতুর্থ শ্রেণির ‘কুরআন শিক্ষা শাখা’য় ভর্তি হওয়া আবশ্যক। 2. ভর্তি পরীক্ষা লিখিত ও মৌখিক হবে। 3. মৌখিক পরীক্ষার সময় অভিভাবককে শিক্ষার্থীর সাথে উপস্থিত থাকতে হবে। 4. ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। 5. যে শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তার পূর্বের শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। 6. আরবী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। 7. হিফযের ক্ষেত্রে: কুরআন মাজীদ ও তাজবীদ হতে জিজ্ঞাসা করা হবে। 8. ভর্তির উপযুক্ততা: আবাসিকে অবস্থানেচ্ছু শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ৯ বছর হতে হবে। [যারা খাওয়া-দাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানা, বিছানাপত্র গোছানোসহ নিজের কাজ নিজে করতে পারে এমন ছেলে-মেয়ে ভর্তি হতে পারবে।] তবে অনাবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রের ভর্তির বয়স শিথিলযোগ্য।  ভর্তি আবেদন: ভর্তির আবেদন করার জন্য আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহর নিজস্ব ওয়েবসাইট www.jamiahsalafiyah.com -তে গিয়ে অনলাইনে নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।  অনলাইনে আবেদনের সকল নিয়ম উপরোক্ত ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। পরীক্ষা: ১. অর্ধ-বার্ষিক ২. বার্ষিক ছুটির নীতিমালা: 1. অসুস্থতার কারণে ছুটির প্রয়োজন হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকের সুপারিশসহ সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টার মধ্যে স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে কাছে জমা দিতে হবে। 2. বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি নিতে হলে দুই কপি দরখাস্ত লিখে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশসহ স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সে জমা দিতে হবে। 3. দরখাস্ত মঞ্জুর হলে এক কপি রিসিপশনে জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে পারবে। ছুটি শেষে ক্লাসে বসার জন্য স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে অনুমতিপত্র নিতে হবে। 4. রওযা, হিফয ও শিশু হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের ছুটি নেওয়ার জন্য অভিভাবক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। 5. বিনা দরখাস্তে ছুটি কাটালে প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে। 6. প্রতিষ্ঠান চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিনা ছুটিতে একটানা দুই সপ্তাহ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল হবে। 7. বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান ছুটি থাকলে, প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখে যদি কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে এবং উপযুক্ত কারণ দেখাতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রথম দিনের জন্য ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী দিনগুলোর জন্য প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (দিনাজপুর শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (দিনাজপুর শাখা)

তেঘড়া, বিরল, দিনাজপুর

২০২৩ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম আরম্ভ হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি বৃহত্তম দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত বিরল উপজেলার তেঘরা নামক স্থানে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (দিনাজপুর শাখা)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (দিনাজপুর শাখা)
তেঘড়া, বিরল, দিনাজপুর

২০২৩ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম আরম্ভ হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি বৃহত্তম দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত বিরল উপজেলার তেঘরা নামক স্থানে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

বৈশিষ্ট্য: 1. দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নত সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত নিজস্ব সিলেবাসের আলোকে পাঠদান। 2. দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ, পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত। 3. কুরআন ও হাদীছের উপর গভীর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আরবী ও ইংরেজি ভাষার পূর্ণ দক্ষতা অর্জনের সুযোগ। 4. বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত ও ১০ পারা হিফযের ব্যবস্থা। 5. উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন। 6. অমনোযোগী ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধান। 7. বোর্ড পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট শ্রেণিগুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ। 8. সুপ্ত মেধা বিকাশের জন্য ‘কো-কারিকুলার’ (সহ-পাঠক্রমিক) কার্যক্রম পরিচালনা। • আরবী, বাংলা ও ইংরেজিতে কথোপকথন ও বক্তৃতাদানের দক্ষতা অর্জনের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ তথা সাপ্তাহিক ইসলাহুল বায়ানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষাবর্ষের শেষে পুরো প্রতিষ্ঠানব্যাপী উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ নানাবিধ বিষয়ের উপর ‘বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করা। • লেখার হাত মজবুতকরণের লক্ষ্যে ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) স্তর থেকেই শিশুতোষ পত্রিকা ‘কিশলয়’ ও দেয়ালিকা ‘আল-মানার’ এ লেখালেখির সুযোগ। সেইসাথে শ্রেণিভিত্তিক দেয়ালিকা প্রকাশে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। • যুগের চাহিদা অনুসারে আলেমিয়্যাত (উচ্চ মাধ্যমিক) স্তর থেকে সীমিত পরিসরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা। অদূর ভবিষ্যতে সুবৃহৎ কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। 9. আবাসিক হল সর্বদা শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে সুনিয়ন্ত্রিত। 10. ছাত্রদের যাবতীয় নথি-পত্র, তথ্য-উপাত্ত, ফলাফল, অ্যাকাডেমিক ও চারিত্রিক সকল তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে সংরক্ষণ। 11. প্রত্যেক ছাত্রের জন্য প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ইউনিক আইডি নম্বর ও আইডি কার্ড প্রদান। 12. ছাত্রের দৈনন্দিন ও মাসিক যাতায়াতের তথ্য সংরক্ষণ রাখার জন্য সফটওয়্যারে মাধ্যমে আইডি নম্বর দিয়ে গেটপাশ এন্ট্রি করার সুব্যবস্থা। 13. দৈনিক তিনবেলা ‘আদর্শ খাবার’ তথা নিরামিষের পাশাপাশি আমিষ জাতীয় খাবারের ব্যবস্থা। 14. স্বাস্থ্যসম্মত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে শরীরচর্চার জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠ। 15. মাটির গভীর হতে নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলিত আর্সেনিকমুক্ত পানির সুব্যবস্থা। 16. সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। 17. আরবী, বাংলা, ইংরেজি ও বিভিন্ন ভাষার বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। 18. প্রতি বছর একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এবং তার সাথে সমন্বয় করে পাঠপরিকল্পনা প্রণয়ন। 19. স্বাস্থ্যসম্মত, সুন্দর ও উন্নতমানের আবাসিক হলের সুব্যবস্থা। 20. প্রচলিত রাজনীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ। 21. নিয়মিত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বার্ষিক ক্রীড়া ও গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা। 22. প্রাথমিক চিকিৎসার সুব্যবস্থা। সিলেবাস: ভাইস প্রেসিডেন্সি অফ অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, জামেয়া সালাফিয়া, বানারস, ভারতসহ উপমহাদেশের বিখ্যাত ক্বওমী প্রতিষ্ঠানসমূহ ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের সমন্বয়ে প্রণীত স্বতন্ত্র বৈশিষ্টমণ্ডিত পৃথক পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) প্রণয়ন করা হয়েছে। ভর্তি নির্দেশিকা: 1. কুরআন পাঠে অক্ষম সাধারণ শিক্ষার্থীর চতুর্থ শ্রেণির ‘কুরআন শিক্ষা শাখা’য় ভর্তি হওয়া আবশ্যক। 2. ভর্তি পরীক্ষা লিখিত ও মৌখিক হবে। 3. মৌখিক পরীক্ষার সময় অভিভাবককে শিক্ষার্থীর সাথে উপস্থিত থাকতে হবে। 4. ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। 5. যে শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তার পূর্বের শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। 6. আরবী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। 7. হিফযের ক্ষেত্রে: কুরআন মাজীদ ও তাজবীদ হতে জিজ্ঞাসা করা হবে। 8. ভর্তির উপযুক্ততা: আবাসিকে অবস্থানেচ্ছু শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে ৯ বছর হতে হবে। [যারা খাওয়া-দাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানা, বিছানাপত্র গোছানোসহ নিজের কাজ নিজে করতে পারে এমন ছেলে-মেয়ে ভর্তি হতে পারবে।] তবে অনাবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রের ভর্তির বয়স শিথিলযোগ্য।  ভর্তি আবেদন: ভর্তির আবেদন করার জন্য আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহর নিজস্ব ওয়েবসাইট www.jamiahsalafiyah.com -তে গিয়ে অনলাইনে নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।  অনলাইনে আবেদনের সকল নিয়ম উপরোক্ত ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। পরীক্ষা: ১. অর্ধ-বার্ষিক ২. বার্ষিক

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (ইংলিশ ভার্সন)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (ইংলিশ ভার্সন)

বাড়ি নং- ১৮৩, এফ আলম রওনক মঞ্জিল, গোরা চাঁদ দাস রোড, বরিশাল

এই প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ অবচেতন পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ উচ্চারণে আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা প্রদান করা হয়। এখানে জেনারেল ক্লাসের পাশাপাশি শ্রেণিভিত্তিক কুরআন হিফযের সুব্যবস্থা রয়েছে। অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান, সাবলীল কথোপকথন এবং সুন্দর হাতের লেখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (ইংলিশ ভার্সন)

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (ইংলিশ ভার্সন)
বাড়ি নং- ১৮৩, এফ আলম রওনক মঞ্জিল, গোরা চাঁদ দাস রোড, বরিশাল

এই প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ অবচেতন পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ উচ্চারণে আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা প্রদান করা হয়। এখানে জেনারেল ক্লাসের পাশাপাশি শ্রেণিভিত্তিক কুরআন হিফযের সুব্যবস্থা রয়েছে। অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান, সাবলীল কথোপকথন এবং সুন্দর হাতের লেখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ বৈশিষ্ট্য: - সম্পূর্ণ অবচেতন পদ্ধতিতে ও বিশুদ্ধ উচ্চারণে আরবি ও ইংরেজি শিক্ষা। - আরবি ও ইংরেজিতে নির্ভয়ে ও সাবলীল ভঙ্গিতে কথোপকথন। - ইংরেজি ও আরবি ভার্সনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান। - হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য বিষয়ভিত্তিক লেখার ব্যবস্থা। - সকল শ্রেণিকক্ষ ও সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। - জেনারেল ক্লাসের পাশাপাশি শ্রেণিভিত্তিক কুরআন হিফযের ব্যবস্থা। - সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। - শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে নিয়মিত খেলাধুলার ব্যবস্থা। - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও উন্নত আবাসিক ব্যবস্থা। - অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা। - বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা। - মাসিক পরীক্ষার মাধ্যমে পাঠে শিক্ষার্থীর অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদান। - Interactive web site এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর তথ্য হালনাগাদ রাখা। ছাত্রাবাস, ছাত্রীনিবাস ও হিফয সেকশনের বৈশিষ্ট্য: - আবাসিক ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের স্পেশাল কেয়ারের ব্যবস্থা। - তিন বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হিফয সমাপ্তির ব্যবস্থা। - অভিজ্ঞ কারীদের অডিও ভিডিও শোনা ও দেখার ব্যবস্থা। - প্রতিদিন তিনবেলা রুচিসম্মত স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন ও নিরাপদ সুপেয় পানির সুব্যবস্থা। - নিরাপত্তা প্রহরীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - প্রতি মাসে পরীক্ষা ও মাসিক সর্বোচ্চ অধ্যয়নকারীকে পুরস্কার প্রদান।

ছবিতে আমাদের কার্যক্রম

সংশ্লিষ্ট চলমান কার্যক্রম